ঢাকাবৃহস্পতিবার , ২১ মার্চ ২০২৪
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আরো
  6. ইসলামিক
  7. কবিতা
  8. কৃষি সংবাদ
  9. ক্যাম্পাস
  10. খাদ্য ও পুষ্টি
  11. খুলনা
  12. খেলাধুলা
  13. চট্টগ্রাম
  14. ছড়া
  15. জাতীয়
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রামগঞ্জে জিয়া শপিং কমপ্লেক্স নামটি পরিবর্তন করে, রামগঞ্জ শপিং কমপ্লেক্স সাইনবোডটি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের নির্দেশে অপসারণ

Link Copied!

 

মোঃ আলমগীর হোসেন জয়
রামগঞ্জ (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধিঃ

 

রামগঞ্জে জেলা পরিষদের মালিকানাধীন ঐতিহ্যবাহী বহুল পরিচিত জিয়া শপিং কমপ্লেক্স মার্কেটের নাম পরিবর্তন করে, কে বা কাহারা রাতের আঁধারে রামগঞ্জ শপিং কমপ্লেক্স নামে একটি সাইনবোর্ড লাগানোর ঘটনাটি তৎক্ষণা সামাজিক যোগাযোগ গণমাধ্যম ও ফেসবুকে উপজেলা জুড়ে ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আওয়ামীলীগ এবং বিএপির বিভিন্ন নেতাকর্মীসহ অসংখ্য মানুষকে পোস্ট দিতে দেখা গেছে।
তবে মার্কেটের নাম পরিবর্তন করে সাইবোর্ড লাগানোর বিষয়ে কিছুই জানেনা বলে জানান জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান। বিষয়টি ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরে তাৎক্ষনিক সাইবোর্ডটি খুলে ফেলার নির্দেশ দেন তিনি।

আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহানের ছেলে ইমতিয়াজ আরাফাত প্রার্থি হওয়ায় তাকে বিতর্কিত করতে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েএকটি মহল এ কাজ করেছে বলে ইমতিয়াজ আরাফাতের কয়েকজন অনুসারী জানান।

সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন মরহুম জিয়াউল হক জিয়া এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী থাকাকালীন রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্স নামে এ মার্কেটটি প্রতিষ্ঠা করেন। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর থেকে এ নামে দীর্ঘ ১৭ বছর মার্কেটটি পরিচালিত হয়ে আসলেও মঙ্গলবার (১৯ নভেম্বর) ভোর রাতে কে বা কাহারা ডাকবাংলা মসজিদ সংলগ্ন গেটে রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্স নামে সাইনবোর্ডটি সরিয়ে রামগঞ্জ শপিং কমপ্লেক্স নামে একটি সাইনবোর্ড স্থাপন করে। এসময় সকালে মার্কেটের ব্যবসায়ীরা ও বাজারের অন্য ব্যবসায়ীরা এমন কর্মকান্ড দেখে হতবাক হয়ে যান। পরবর্তিতে দুপুরের পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নতুন সাইনবোর্ডটির একটি ছবি চড়িয়ে পড়লে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠে।

এসময় বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. আনোয়ার হোসেন খান ও লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহানের নজরে আসলে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের নির্দেশে রাতেই বিতর্কিত সাইনবোর্ডটি সরিয়ে ফেলা হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান শুভ বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। ফেসবুকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে মার্কেটের নাম পরিবর্তনের সাইনবোর্ডটি দেখে আমি তাৎক্ষণিক জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান ও এমপি ড. আনোয়ার হোসেন খান মহোদয়কে অবিহিত করি, ওনারা ব্যবস্থা গ্রহন করেন এবং বিতর্কিত সাইনবোর্ডটি দ্রুত অপসারণ করা হয়।

রামগঞ্জ পৌর মেয়র আলহাজ্ব আবুল খায়ের পাটোয়ারী বলেন, অনেকে প্রচার করছেন মার্কেটের নাম পরিবর্তনের সাথে আমি নাকি জড়িত। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং অপপ্রচারের কৌশল মাত্র। এটার সাথে পৌরসভার কোন সম্পৃক্ততা নাই। আমার পরিষ্কার বক্তব্য হচ্ছে এ বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা এবং এটা আমার এখতিয়ার নয়।

লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ শাহজাহান জানান, রামগঞ্জ জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের নাম পরিবর্তনের বিষয়টি তৎকালীন জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব শামসুল ইসলাম সাহেবের সময় পরিষদের রেজুলেশন এর মাধ্যমে সিদ্ধান্তটি গৃহীত হয়।
জিয়া শপিং কমপ্লেক্সের সাইনবোর্ড টি কে বা কারা পরিবর্তন করেছে তা লক্ষ্মীপুর জেলা পরিষদ অবগত নয়। কিছু অতি উৎসাহি ব্যক্তি বা মহল পরিষদের সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্য এ কাজটি করেছে। বিষয়টি আমি অবগত হওয়ার পর রামগঞ্জের মাননীয় সংসদ সদস্য মহোদয় ও ইউ এন ও মহোদয় এর সাথে আলোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
%d bloggers like this: